জ্বালানি তেলের ডিপো ও ফিলিং স্টেশনগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জ্বালানি তেলের মজুত ঘিরে উদ্বেগ এবং বিভিন্ন ধরনের গুজব ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়-এর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের জ্বালানি তেলের ডিপোগুলোকে ‘কেপিআই’ বা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাই এসব স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রেক্ষাপটে ডিপোগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে সেনাবাহিনী মোতায়েন প্রয়োজন বলে মত দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)।
বিপিসির আরেকটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় অনেক ভোক্তার মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এর ফলে ডিলাররা আগের তুলনায় বেশি পরিমাণ তেল ডিপো থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।
এছাড়া কিছু ভোক্তা ফিলিং স্টেশন থেকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি তেল কিনে অননুমোদিতভাবে মজুত করার চেষ্টা করছেন বলেও জানা গেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইতোমধ্যে ফিলিং স্টেশন থেকে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেল বিক্রির পরিমাণ সীমিত করে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বিপিসি।
এদিকে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ক্রেতা ও কর্মচারীদের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশঙ্কা থাকায় সেখানে নিরাপত্তা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে দেশের সব ফিলিং স্টেশনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পুলিশি টহল জোরদারের অনুরোধ জানিয়েছে বিপিসি।