রাঙামাটি সদর জোনের জোন কমান্ডার, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ একরামুল রাহাত, পিএসসি, মানবিকতা ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি জন্মগত ঠোঁটকাটা, তালুকাটা ও নাসাছিদ্র বন্ধ রোগে আক্রান্ত চাকমা সম্প্রদায়ের কিশোর গভীর চাকমা (১৫)-এর চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করে অসহায় এক পরিবারের মুখে হাসি ফোটান।
রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলার দুমদুমিয়া ইউনিয়নের আদেয়াবছড়া গ্রামের প্রতিবন্ধী কিশোর গভীর চাকমা দীর্ঘদিন ধরে এই রোগে ভুগছিলেন। তার নাকের দুটি নাসাছিদ্রের একটি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা ও জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল।
গভীর চাকমার শারীরিক অবস্থার কথা জানার পর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ একরামুল রাহাত, পিএসসি, মানবিক বিবেচনায় তার চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি নিজের উদ্যোগে এবং তত্ত্বাবধানে প্রয়োজনীয় ডাক্তারি চিকিৎসা, জটিল অস্ত্রোপচার ও চিকিৎসা-পরবর্তী ওষুধপত্রের সকল খরচের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে গভীর চাকমার নাসাছিদ্রটি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে এবং ঠোঁটের অবস্থারও উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটে। এর ফলে গভীর চাকমা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সক্ষম হন।চিকিৎসা শেষে সুস্থ জীবনে ফিরে এসে গভীর চাকমা ও তার পরিবার, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ একরামুল রাহাত, পিএসসি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানানো হয়েছে, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ একরামুল রাহাত, পিএসসি-এর নেতৃত্বে রাঙামাটি সদর জোন মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অসহায়, দুঃস্থ ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনা করে আসছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।