ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ তিন স্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আটটি ভোটকেন্দ্রে এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে।
প্রথম স্তরে দায়িত্ব পালন করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি সদস্য ও প্রক্টরিয়াল টিম। দ্বিতীয় স্তরে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন থাকবে। আর তৃতীয় স্তরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি প্রবেশমুখে সেনাবাহিনী ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে অবস্থান করবে। প্রয়োজনে সেনা সদস্যরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করবে এবং ভোট শেষে ফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র কর্ডন করে রাখবে। ভোট গণনার সময় শুধু অনুমোদিত ব্যক্তিরাই উপস্থিত থাকতে পারবেন।
এছাড়া, নির্বাচনের দিন রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে এবং বিশেষ টহল কার্যক্রমও চালু থাকবে। নির্বাচনের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ সীমিত থাকবে—শুধু বৈধ শিক্ষার্থী, অনুমোদিত সাংবাদিক এবং নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাই প্রবেশ করতে পারবেন। বহিরাগতদের আবাসিক হলে অবস্থান কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।
মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৮ এবং ৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন বন্ধ থাকবে। শিক্ষার্থীদের ভোটদানে সুবিধার্থে বিভিন্ন রুটে অতিরিক্ত বাস চালু করা হবে এবং এসব বাস নির্বিঘ্নে চলাচলে পুলিশের পক্ষ থেকে সহযোগিতা দেওয়া হবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এসব নিরাপত্তা সিদ্ধান্তে কোনো প্রার্থী আপত্তি জানাননি; বরং সবাই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। নির্বাচন কমিশনের প্রধান অধ্যাপক জসিম উদ্দিনসহ অন্য সদস্যরা প্রার্থীদের নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেন।